
রংপুর বিভাগীয় স্টাফ রিপোর্টার :
মোহাম্মদ আব্দুল আজিজ মিয়া
কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারের জেলার শ্রী দিলীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে সম্প্রতি উত্থাপিত অভিযোগকে মিথ্যা, বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। অভিযোগের পক্ষে যথাযথ প্রমাণ উপস্থাপনের আগেই বিভিন্ন মাধ্যমে প্রচার চালানোয় তাঁর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও দাবি করেছেন প্রতিবাদকারীরা।
অভিযোগ নিয়ে পাল্টা প্রশ্ন
প্রতিবাদকারীদের বক্তব্য, কোনো সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ উঠলে সেটির নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া প্রয়োজন। তদন্তের আগে অভিযোগকে সত্য হিসেবে প্রচার করা হলে জনমনে বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।
তাদের দাবি, শ্রী দিলীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো প্রচার করা হচ্ছে, সেগুলোর সত্যতা যাচাই করা হোক। অভিযোগের পক্ষে কোনো লিখিত নথি, চিকিৎসা প্রতিবেদন, প্রত্যক্ষদর্শীর বক্তব্য কিংবা সংশ্লিষ্ট রেকর্ড থাকলে সেগুলোও তদন্তের আওতায় আনা হোক।
‘অপপ্রচার বন্ধ করতে হবে’
প্রতিবাদকারীরা বলেন, কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকতেই পারে। কিন্তু অভিযোগ আর প্রমাণিত সত্য এক বিষয় নয়। তাই তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কাউকে দায়ী করে সংবাদ বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার চালানো থেকে বিরত থাকা উচিত।
তাদের অভিযোগ, উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কোনো তথ্য ছড়ানো হয়ে থাকলে তা একজন সরকারি কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ও পেশাগত সুনাম ক্ষুণ্ন করতে পারে। এ ধরনের অপপ্রচার বন্ধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা কারাগারকে ঘিরে ওঠা অভিযোগের প্রকৃত সত্য উদঘাটনে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইন ও বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা এবং অভিযোগ অসত্য প্রমাণিত হলে বিভ্রান্তিকর প্রচারের বিষয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
প্রতিবাদকারীদের ভাষ্য, “অভিযোগের ভিত্তিতে নয়, তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতেই প্রকৃত সত্য নির্ধারণ হওয়া উচিত।”
তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ
শ্রী দিলীপ কুমার রায়ের বিরুদ্ধে প্রচারিত অভিযোগকে মিথ্যা ও বানোয়াট দাবি করে তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যাচাই ছাড়া কোনো তথ্য প্রচার না করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বক্তব্য ও তদন্তের ফলাফলকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে।
Leave a Reply