আহমদ বিলাল খান :
মনোনয়ন নয়, জনগণের ভোটে ঠিক হোক পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্ব। এমন দাবি এখন তিন পার্বত্য জেলায় ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্ধারণ করা হলে পরিষদের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়বে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা— রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। জেলা পরিষদগুলো দীর্ঘদিন ধরে মনোনয়নভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
সাধারণ মানুষের অভিন্ন প্রত্যাশা, তারা যেন নিজেদের প্রতিনিধি নিজেরাই বেছে নিতে পারেন। তাদের মতে, ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিরা এলাকার মানুষের কাছে বেশি দায়বদ্ধ থাকেন। এতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আসে এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়।
এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে আরও উন্মুক্ত ও গ্রহণযোগ্য। এতে পরিষদের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।
পার্বত্য অঞ্চলের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক বাস্তবতায় সবার সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব আরও সুসংহত হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের।
সর্বস্তরের মানুষের দাবি, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হোক। জনগণের সরাসরি ভোটই পারে নেতৃত্বে নতুন গতি আনতে এবং আস্থার ভিত্তি আরও শক্ত করতে।
সম্পাদক : বাতেনুজ্জামান জুয়েল
Copyright © 2025 দেশবাংলা সংবাদ All rights reserved.