মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন স্বচ্ছতা ও দক্ষতায় মাদ্রাসা পরিচালনায় অঙ্গীকারবদ্ধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান লোহাগাড়ায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ কুড়িগ্রাম সদরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও বিএনপি নেতারা পঞ্চগড়ে ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি: মনিটরিং কমিটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ নাশকতার আশঙ্কা নেই, তবে গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা’— পঞ্চগড়ে এসআরবি কমান্ডার আসন্ন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেব জনগণের সমর্থন পেয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র জনাব সবুজ বাঘা ঘোগাদহের উন্নয়নে আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মাদ্রাসার ভবন নির্মাণে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ লোহাগাড়ায় দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের উপহার ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আওয়ামী লীগের দুর্নীতিতেই জ্বালানি সংকট: পঞ্চগড়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

ভোটের অধিকার চাই’ পার্বত্য জেলা পরিষদে সরাসরি নির্বাচনের জোর দাবি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২০ Time View

আহমদ বিলাল খান :

মনোনয়ন নয়, জনগণের ভোটে ঠিক হোক পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্ব। এমন দাবি এখন তিন পার্বত্য জেলায় ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্ধারণ করা হলে পরিষদের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়বে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা— রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। জেলা পরিষদগুলো দীর্ঘদিন ধরে মনোনয়নভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে এসেছে।

সাধারণ মানুষের অভিন্ন প্রত্যাশা, তারা যেন নিজেদের প্রতিনিধি নিজেরাই বেছে নিতে পারেন। তাদের মতে, ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিরা এলাকার মানুষের কাছে বেশি দায়বদ্ধ থাকেন। এতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আসে এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়।

এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে আরও উন্মুক্ত ও গ্রহণযোগ্য। এতে পরিষদের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

পার্বত্য অঞ্চলের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক বাস্তবতায় সবার সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব আরও সুসংহত হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের।

সর্বস্তরের মানুষের দাবি, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হোক। জনগণের সরাসরি ভোটই পারে নেতৃত্বে নতুন গতি আনতে এবং আস্থার ভিত্তি আরও শক্ত করতে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category