শনিবার, ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে পুলিশের গাড়ি উল্টে কনস্টেবলের মৃত্যু পুঠিয়ায় এসিল্যান্ডের মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, মাদকসেবীর ৩ মাসের কারাদণ্ড* সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় মোহনগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিল রাজৈরে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দোয়া মাহফিল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে পথসভা, নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান গোদাগাড়ীতে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজৈরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন রংপুর বিভাগে হোমিওপ্যাথিক শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচনে আলোচনায় ডা. রীনু বেগ নির্বাচিত হলে ১০ দফা কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়নের অঙ্গীকার চাঁপাইনবাবগঞ্জের সোনামসজিদ সীমান্তে বিপুল পরিমান ভারতীয় অবৈধ পণ্য জব্দ

গরিব-মেহনতি মানুষের পাশে থাকার দাবি, বিএনপির মনোনয়ন পেলে জয়ের আশাবাদ

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
  • ৭৯ Time View

 

দেশ বাংলা সংবাদ স্টাফ রিপোর্টার

কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনের সম্ভাব্য নির্বাচনী সমীকরণ নিয়ে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা ক্রমেই বাড়ছে। সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিভিন্ন নাম আলোচনায় থাকলেও গরিব, অসহায় ও মেহনতি মানুষের পাশে থাকার দাবি এবং দীর্ঘদিনের জনসম্পৃক্ততার কারণে ডা. ইউনুসকে ঘিরে স্থানীয় পর্যায়ে বিশেষ আলোচনা তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একটি অংশের ভাষ্য, ডা. ইউনুস দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে চলেছেন। দরিদ্র ও অসহায় মানুষের বিভিন্ন প্রয়োজনে পাশে দাঁড়ানো এবং জনসেবামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে এলাকায় তাঁর একটি নিজস্ব গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হয়েছে। তাঁদের মতে, নির্বাচনে দলীয় পরিচয়ের পাশাপাশি প্রার্থীর ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি, মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক এবং মাঠপর্যায়ের গ্রহণযোগ্যতাও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে।

‘মনোনয়ন পেলে বিপুল ভোটে জয়ের সম্ভাবনা’
ভিতরবন্দ ইউনিয়নের কয়েকজন সাধারণ মানুষের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, তাঁরা ডা. ইউনুসের মতো একজন সৎ, যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকে বিএনপি থেকে কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনে মনোনয়ন দেওয়ার পক্ষে মত দিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্ক নির্বাচনে তাঁকে বাড়তি সুবিধা দিতে পারে।

স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দার ভাষ্য, “আপনার মতো একজন সৎ, যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিকে যদি বিএনপি কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনে মনোনয়ন দিত, তাহলে আপনি বিপুল ভোটে বিজয়ী হওয়ার সম্ভাবনা রাখতেন। কারণ সাধারণ মানুষের সঙ্গে আপনার যে সম্পর্ক ও গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে, তা নির্বাচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

তাঁদের দাবি, এলাকার মানুষের সুখ-দুঃখে পাশে থাকা এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখার কারণে ডা. ইউনুসের প্রতি স্থানীয় একটি অংশের আস্থা রয়েছে। তবে এই সমর্থন কতটা ভোটে রূপ নেবে, তা নির্বাচনের সময়ই স্পষ্ট হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডা. ইউনুসের বক্তব্য
নিজেকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের এমন প্রত্যাশার বিষয়ে ডা. ইউনুস বলেন, বিএনপি থেকে তাঁকে কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনে মনোনয়ন দেওয়া হলে তিনি নির্বাচনে কখনো পরাজিত হতেন না। তাঁর দাবি, সততা, যোগ্যতা ও দক্ষতার কারণে সাধারণ মানুষের ভালোবাসা ও সমর্থন তাঁর সঙ্গে রয়েছে।

তিনি আরও মনে করেন, দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর যে সম্পর্ক গড়ে উঠেছে, সেটিই নির্বাচনের মাঠে তাঁর সবচেয়ে বড় শক্তি হতে পারে। দলীয় মনোনয়ন পেলে তিনি জনগণের আস্থা ও ভালোবাসাকে কাজে লাগিয়ে নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী।

মনোনয়নই এখন মূল আলোচনায়
কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনকে ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে নানা আলোচনা চলছে। দলীয় মনোনয়ন কে পাবেন—এ প্রশ্নকে কেন্দ্র করে নেতাকর্মী ও সাধারণ ভোটারদের মধ্যেও আগ্রহ তৈরি হয়েছে। এর মধ্যে ডা. ইউনুসকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের একটি অংশের ইতিবাচক মন্তব্য নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

তবে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কোনো নির্বাচনে একজন প্রার্থীর ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সেটিই চূড়ান্ত ফলাফলের একমাত্র নিয়ামক নয়। দলীয় সাংগঠনিক শক্তি, মনোনয়ন, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী, নির্বাচনী পরিবেশ, ভোটারদের মনোভাব এবং মাঠপর্যায়ের প্রচার—সবকিছু মিলিয়েই নির্বাচনের ফল নির্ধারিত হয়।

জনসম্পৃক্ততা কতটা প্রভাব ফেলবে?
স্থানীয় রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান সময়ে ভোটারদের কাছে প্রার্থীর ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতা, সাধারণ মানুষের সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক এবং এলাকায় দীর্ঘদিনের কর্মকাণ্ড গুরুত্বপূর্ণ বিবেচ্য হয়ে উঠেছে। ফলে ডা. ইউনুসকে ঘিরে যে জনআলোচনা তৈরি হয়েছে, সেটি ভবিষ্যৎ নির্বাচনী সমীকরণে কতটা প্রভাব ফেলে, সেদিকেই এখন নজর স্থানীয়দের।

তবে বিএনপির পক্ষ থেকে কুড়িগ্রাম-২৫, ১ আসনে ডা. ইউনুসকে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত তাঁকে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করার সুযোগ নেই। শেষ পর্যন্ত দলীয় সিদ্ধান্ত এবং ভোটারদের রায়ই নির্ধারণ করবে আসনটির রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ।

ডা. ইউনুসকে ঘিরে স্থানীয় মানুষের এই আলোচনা তাই আপাতত সম্ভাবনার রাজনীতিরই একটি চিত্র। জনসম্পর্ক ও ব্যক্তিগত গ্রহণযোগ্যতার দাবিগুলো নির্বাচনের মাঠে বাস্তব ভোটে কতটা প্রতিফলিত হয়, সেটিই হবে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category