মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন স্বচ্ছতা ও দক্ষতায় মাদ্রাসা পরিচালনায় অঙ্গীকারবদ্ধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান লোহাগাড়ায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ কুড়িগ্রাম সদরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও বিএনপি নেতারা পঞ্চগড়ে ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি: মনিটরিং কমিটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ নাশকতার আশঙ্কা নেই, তবে গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা’— পঞ্চগড়ে এসআরবি কমান্ডার আসন্ন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেব জনগণের সমর্থন পেয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র জনাব সবুজ বাঘা ঘোগাদহের উন্নয়নে আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মাদ্রাসার ভবন নির্মাণে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ লোহাগাড়ায় দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের উপহার ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আওয়ামী লীগের দুর্নীতিতেই জ্বালানি সংকট: পঞ্চগড়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

জীবনানন্দ দাশ ও ‘বনলতা সেন’

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ২৮৩ Time View

 


বনলতা সেন : জীবনানন্দের কাব্যলোকের অনুপম নারী

বাতেনুজ্জামান জুয়েল 

বাংলা সাহিত্যের আধুনিক কবিতায় জীবনানন্দ দাশ এক অপার নিঃসঙ্গতার কবি।

তাঁর সৃষ্ট সবচেয়ে আলোচিত চরিত্রগুলোর মধ্যে বনলতা সেন অনন্য। ১৯৪২ সালে প্রকাশিত “বনলতা সেন” কাব্যগ্রন্থে একই নামের এই কবিতাটি স্থান পায়।

কবিতার কেন্দ্রে থাকা নারী—বনলতা সেন—বাস্তব কোনো ব্যক্তি নন; তিনি কবির কল্পনার স্নিগ্ধতা, ক্লান্ত জীবনের আশ্রয়, অনন্ত পথচলার অন্তিম নিবাসের প্রতীক।

দীর্ঘকাল পথ চলতে চলতে ক্লান্ত কবি এক সময়ে খুঁজে পান শান্তির নির্জন অবকাশ—বনলতা সেনকে।

ইতিহাস, ভূগোল, সভ্যতার বিস্তীর্ণ পরিসর পেরিয়ে তিনি যে শান্তির ঠিকানায় পৌঁছান, সেই ঠিকানার নামই বনলতা সেন। তাঁর চোখের শান্ত গভীরতা, মুখের অব্যক্ত স্নিগ্ধতা, আর উপস্থিতির মায়া জীবনানন্দের কবিতায় এক অলৌকিক প্রশান্তি এনে দেয়।

কবি লিখেছেন—
“সব পাখি ঘরে আসে ফুরায় এ জীবনের সব লেনদেন

থাকে শুধু অন্ধকার মুখোমখি বসিবার ‘বনলতা সেন।

‘বনলতা ফুরোবার বন্তু নয়, সবকিছুই ধ্বংশ হবে একদিন, সবকিছুই অন্ধকারে হারিয়ে গেলেও বনলতা সেন আছেন-থাকবেন।

বনলতা সেন শুধু একজন নারী নয়—তিনি ক্লান্ত জীবনের আশ্রয়, অন্তহীন যাত্রার শেষ আলো, নির্মল বিশ্রামের প্রতীক।

“”বলেছে সে, এতদিন কোথায় ছিলেন?””

পাখির নীড়ের মতো বনলতা সেন।

বাংলা সাহিত্যের কাব্যভুবনে ‘বনলতা সেন’ আজ এক কিংবদন্তি নাম। তিনি প্রেমের প্রতিমা, সৌন্দর্যের প্রতীক, আর অস্তিত্বের দার্শনিক শান্তির এক চিরন্তন বর্ণনা। এই বনলতা সেন শুধু একজন জীবনানন্দের নয় বনলতা সেন সারা পৃথিবীর সম্পদ।পৃথিবী যতদিন থাকবে সাহিত্য যতদিন বাঁচবে,পৃথিবীর প্রেমিক পুরুষ যতদিন থাকবে,পৃথিবীর বুকে যতোদিন সবুজ ঘাষ জন্মাবে ততদিন বনলতা সেন থাকবে।

তাইতো গানের ভাষায় বলতে ইচ্ছে করে,

জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজো আমি

সবকিছু ভুলে যেন করি লেনদেন

তুমিও তো বেশ আছো ভালই আছো

কবিতায় পড়া সেই বনলতা সেন হায়——–।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category