
আব্দুল আজিজ ইসলাম, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি ।
বাংলাদেশের রাজনীতিতে কিছু নাম কেবল ব্যক্তি নয়, সেগুলো সময়ের দলিল, গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ইতিহাস এবং লাখো কোটি মানুষের বুকের ভিতর জমে থাকা আশা বেদনার প্রতীক। তারেক রহমান তেমনই একটি নাম। দীর্ঘ ১৮ বছর যাঁকে ঘিরে অপেক্ষা, আকুতি, অভিমান আর প্রত্যাশা, অবশেষে সেই মানুষটির স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করেছেন । ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানের নিজের দেশে ফেরা নিছক কোনো ব্যক্তিগত বা দলীয় ঘটনা নয়; এটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এক আবেগঘন, গভীর অর্থবহ অধ্যায়। লন্ডনে অবস্থানরত বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার খবরে সারা দেশে নেতা-কর্মীদের মধ্যে আনন্দের বন্যা বইছে। দীর্ঘদিন ধরে যাঁকে ঘিরে আন্দোলন, প্রত্যাশা ও সংগ্রাম সেই নেতৃত্ব অবশেষে স্বশরীরে দেশের মাটিতে ফিরছেন। নেতা কর্মীরা বিশ্বাস করেন, তাঁর প্রত্যাবর্তনের মধ্য দিয়েই বিএনপির সাংগঠনিক শক্তি আরও সুসংহত হবে এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোটের মাঠে নতুন গতি সঞ্চার হবে। তারেক রহমান জন্মেছেন এক ঐতিহাসিক রাজনৈতিক পরিবারে। তাঁর পিতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক ও বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা। মাতা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। কিন্তু তারেক রহমান কেবল উত্তরাধিকারসূত্রে নেতা হননি; রাজনীতিতে তাঁর প্রতিটি ধাপ ছিল অভিজ্ঞতা, সংগ্রাম ও সাংগঠনিক দক্ষতায় অর্জিত। ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের
স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে কুড়িগ্রামের কাঁঠালবাড়ি বাজারে আনন্দ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে । কাঁঠালবাড়ি ইউনিয়ন বিএনপির নেতাকর্মী সমর্থক ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে বিএনপির আনন্দ মিছিলে সর্বস্তরের জনতা অংশগ্রহণ করে। আনন্দ মিছিলে এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন মায়ের দোয়া হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্ট মালিক হাবিব সহ বিএনপি, যুবদল ছাত্রদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলের ইউনিয়ন পর্যায়ের নেতা কর্মী সমর্থক বৃন্দ ।
Leave a Reply