
বাতেনুজ্জামান জুয়েল :
রাষ্ট্রপতি ড. খন্দকার মোশাররফ দেশের সংবিধান রক্ষায় দায়িত্বশীল নেতৃত্ব দিচ্ছেন।
জাতীয় সংসদের স্পিকার অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন এবং নিতাই রায় চৌধুরী সংবিধান ও আইনশৃঙ্খলার অঙ্গীকারে রয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রী ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী তারেক রহমান দেশের নীতি ও নিরাপত্তার রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।
স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রী মির্জা ফখরুল জনগণের সেবায় নিবেদিত।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলার প্রতীক হিসেবে কাজ করবেন।
প্রতিমন্ত্রী শাহিদ উদ্দিন চৌধুরী অ্যানি প্রশাসনিক সমন্বয়ে সহায়ক।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আমীর খসরু আন্তর্জাতিক কূটনীতি ও কূটনৈতিক শক্তি পরিচালনায় নিয়োজিত।
প্রতিমন্ত্রী ড. হুমায়ুন কবির বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন।
অর্থমন্ত্রী ড. রেজা কিবরিয়া অর্থনীতির স্থিতিশীলতার পথপ্রদর্শক।
শিক্ষামন্ত্রী আনাম এহসানুল হক মিলন এবং প্রতিমন্ত্রী সাঈদ আল নোমান শিক্ষার মানোন্নয়নে অঙ্গীকারবদ্ধ।
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ন্যায়পরায়ণতা ও আইনের রক্ষক।
তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ এবং প্রতিমন্ত্রী ড. মাহদি আমিন তথ্যপ্রচারের স্বচ্ছতার দায়িত্বে।
পরিকল্পনামন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান দেশের উন্নয়নের নকশাকার।
বাণিজ্যমন্ত্রী আব্দুল মুখতাদির ব্যবসা ও অর্থনীতির অগ্রদূত।
শিল্পমন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু শিল্পায়নের নতুন দিশা দেখাবেন।
নৌপরিবহন মন্ত্রী মেজর হাফিজ জলপথে নিরাপদ ও সাশ্রয়ী পরিবহন নিশ্চিত করবেন।
শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী নজরুল ইসলাম খান কর্মসংস্থানের পথপ্রদর্শক।
পানি সম্পদ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষায় নিবেদিত।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী ফজলুর রহমান দেশের মুক্তি ও ইতিহাস সংরক্ষণের দায়িত্বে।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী আমানউল্লাহ আমান অবকাঠামোর অগ্রগতির চালিকাশক্তি।
সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী জোনায়েদ সাকি সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের রক্ষক।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী ড. এ জেড এম জাহিদ সুস্থ সমাজ গঠনের প্রেরক।
যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রী আলী আজগর লবি যুব শক্তি ও খেলাধুলার বিকাশে নিয়োজিত।
ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী শামীম কায়সার লিংকন ধর্মীয় সম্প্রীতির রক্ষক।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী পর্যটন ও বিমান সেবার আধুনিকায়নে মনোনিবেশ করবেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু শক্তি ও সম্পদ ব্যবস্থাপনায় নিয়োজিত।
কৃষিমন্ত্রী শামসুজ্জামান দুদু কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তার অঙ্গীকারে দায়িত্ব পালন করবেন।
গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী মির্জা আব্বাস গণপূর্ত ও বাসস্থানের উন্নয়নে নিবেদিত।
ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী নুরুল হক নুর দ্রুত ও আধুনিক যোগাযোগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করবেন।
রেলমন্ত্রী গয়েশ্বর চন্দ্র রায় রেল যোগাযোগের অগ্রগতি নিশ্চিত করবেন।
জনপ্রশাসন মন্ত্রী ড. ইসমাইল জবিহুল্লাহ প্রশাসনিক দক্ষতার প্রতীক।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রুহুল কবির রিজভী সমাজসেবা ও জনগণের কল্যাণে নিয়োজিত।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও শান্তি রক্ষায় নিবেদিত।
নতুন মন্ত্রিপরিষদ দেশের উন্নয়ন, শান্তি ও কল্যাণে অঙ্গীকারবদ্ধ। প্রত্যেক খাতের নেতৃত্ব দেশকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
Leave a Reply