রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:৩৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাদারীপুরে নানা আয়োজন ও উৎসব মূখর পরিবেশের মধ্য দিয়ে শুভ জন্মাষ্টমী উৎসব -২০২৬ অনুষ্ঠিত। মান নিয়ে আপস নয়, প্রকল্প এলাকায় এলজিইডির তদারকি জোরদার মাদারীপুরে পুলিশের গাড়ি উল্টে কনস্টেবলের মৃত্যু পুঠিয়ায় এসিল্যান্ডের মাদকবিরোধী মোবাইল কোর্ট, মাদকসেবীর ৩ মাসের কারাদণ্ড* সত্য ও বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের প্রত্যয় মোহনগঞ্জে বিএনপির ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আনন্দ মিছিল রাজৈরে এসএসসি-২০২৬ পরীক্ষায় জিপিএ-৫ প্রাপ্ত কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দোয়া মাহফিল ও বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শেষে পথসভা, নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান গোদাগাড়ীতে ১ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার রাজৈরে ৫৩তম গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতার উদ্বোধন

দলদলিয়ায় নদীভাঙনের হুমকিতে কবরস্থান, বসতবাড়ি ও প্রাথমিক বিদ্যালয়

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ৮ আগস্ট, ২০২৬
  • ১৫০ Time View

 

স্টাফ রিপোর্টার: মোঃ আব্দুল আজিজ মিয়া

কুড়িগ্রাম জেলার উলিপুর উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কর্পুরা সদরপাড়া গ্রামে নদীভাঙন দেখা দেওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে বসতবাড়ি, কবরস্থান ও একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়সহ আশপাশের গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী এলাকায় ভাঙন অব্যাহত থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে দেখা দিয়েছে উদ্বেগ।

সরেজমিনে দেখা যায়, নদীর তীর রক্ষায় বিভিন্ন স্থানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলা হয়েছে। তবে নদীর ভাঙন প্রতিরোধে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা না নেওয়া হলে আরও বিস্তীর্ণ এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কর্পুরা সদরপাড়া গ্রামের বাসিন্দা মোঃ শফিকুল ইসলাম, যিনি অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কনস্টেবল, বলেন, নদীর তীরের কাছেই তাদের বাড়ি এবং তার দাদা-দাদির কবর রয়েছে। নদীভাঙন যেভাবে এগিয়ে আসছে, তাতে কবরস্থানটি রক্ষা করা নিয়ে তিনি শঙ্কিত।

তিনি বলেন, “নদীভাঙন রোধে দ্রুত কাজ করা সম্ভব হলে আমার দাদা-দাদির কবরের স্থানটি রক্ষা করা যাবে। পাশাপাশি এখানকার অনেক বসতবাড়িও রক্ষা পাবে।”

স্থানীয়দের দাবি, ভাঙনরোধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া না হলে শুধু কবরস্থান ও বসতবাড়িই নয়, আশপাশের তিনটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ও ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এর মধ্যে কর্পুরা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে বলে স্থানীয়রা জানান।

স্থানীয়দের মতে, নদীভাঙন প্রতিরোধে জরুরি ভিত্তিতে স্থায়ী ও কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হলে কবরস্থান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং নদীতীরবর্তী সাধারণ মানুষের বসতবাড়ি রক্ষা করা সম্ভব হবে।

এ অবস্থায় নদীভাঙনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে সংশ্লিষ্ট পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category