
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় সৌদি আরব প্রবাসীর স্ত্রীকে মারধর করে গুরুতর আহত করার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশীদের বিরুদ্ধে।
বুধবার (৭ জানুয়ারি) বিকেল আনুমানিক ৫টার দিকে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের সিরাজপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত নারী সুমি বেগম (২৫) কে প্রথমে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থার অবনতি দেখে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করেন। তিনি সিরাজপুর গ্রামের সৌদি আরব প্রবাসী সুজন মিয়ার স্ত্রী।
আহত সুমি বেগম জানান, বুধবার বিকেলে তার দুই ছেলে বাড়ির উঠানে ব্যাডমিন্টন খেলছিল। খেলার সময় একটি ব্যাডমিন্টনের কক প্রতিবেশী মো. আনর আলীর বসতঘরের বারান্দায় চলে যায়। ককটি আনতে গেলে আনর আলীর ছেলে মো. শাহিনুর (২০) তার সন্তানদের মারধর করে। এ ঘটনায় তিনি প্রতিবাদ করলে আনর আলীর স্ত্রী নেহারুন বেগম তাকে চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে নিয়ে যায়।
এ সময় মো. শাহিনুর বাঁশ ও লাঠি দিয়ে সুমি বেগমের মাথায় আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাকে তলপেটে একাধিক লাথি মেরে গুরুতর আহত করা হয় বলে অভিযোগ করেন তিনি।
সুমি বেগম আরও জানান, প্রাণ বাঁচাতে তিনি দৌড়ে এক আত্মীয়ের বাড়িতে আশ্রয় নেন। সেখানে তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
দোয়ারাবাজার উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবু সালেহীন খাঁন জানান, “সুমি বেগমকে হাসপাতালে আনার পর তার মাথায় গুরুতর আঘাত পাওয়া যায়। মাথার হাড়ে চাপ দিলে দেবে যাওয়ার মতো অবস্থা ছিল। এ ধরনের রোগীর জন্য সিটি স্ক্যান জরুরি হওয়ায় তাকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।”
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ওসি তরিকুল ইসলাম তালুকদার জানান, অভিযোগ পাইনি,অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
Leave a Reply