বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০২:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ, সন্ধ্যায় আকাশে লাল আভায় রাঙা চাঁদ রাঙামাটিতে ভিবিডি’র নবকমিটি: সেনা ও জেলা পরিষদ সদস্যের সঙ্গে মানবসেবা সম্প্রসারণে মতবিনিময় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২৬ বছরের শাসনবিধি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি প্রদান রাজৈরে সাংবাদিক মিলনমেলা ও ইফতার: স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও পেশাগত ঐক্যের উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বৈষম্য নয়, সমান সুযোগের বার্তা দিলেন পার্বত্য মন্ত্রী সিলেটের উন্নয়ন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে —মন্ত্রী আরিফুল হক ঈদের আগেই আমরা ফ্যামেলী কার্ড পাবো: রাজৈরে মতবিনিময় সভায় জাহান্দার আলী মিয়া এমপি রাজৈর বাজারে ঝটিকা অভিযান এমপি জাহান্দার আলী মিয়ার উপস্থিতিতে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রাঙ্গামাটিতে টিসিবির ট্রাক সেলে স্বস্তির চিত্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ বৈধ, অপপ্রচার রুখতে পিসিসিপির তীব্র প্রতিবাদ

ভোটের অধিকার চাই’ পার্বত্য জেলা পরিষদে সরাসরি নির্বাচনের জোর দাবি

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৪৭ Time View

আহমদ বিলাল খান :

মনোনয়ন নয়, জনগণের ভোটে ঠিক হোক পার্বত্য জেলা পরিষদের নেতৃত্ব। এমন দাবি এখন তিন পার্বত্য জেলায় ক্রমেই জোরালো হচ্ছে। স্থানীয়দের মতে, সরাসরি নির্বাচনের মাধ্যমে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্ধারণ করা হলে পরিষদের কাজে স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও জনসম্পৃক্ততা বাড়বে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের তিন জেলা— রাঙামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান। জেলা পরিষদগুলো দীর্ঘদিন ধরে মনোনয়নভিত্তিক পদ্ধতিতে পরিচালিত হচ্ছে। তবে সময়ের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় সরকার ব্যবস্থায় জনগণের সরাসরি অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার বিষয়টি সামনে এসেছে।

সাধারণ মানুষের অভিন্ন প্রত্যাশা, তারা যেন নিজেদের প্রতিনিধি নিজেরাই বেছে নিতে পারেন। তাদের মতে, ভোটে নির্বাচিত ব্যক্তিরা এলাকার মানুষের কাছে বেশি দায়বদ্ধ থাকেন। এতে উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নে গতি আসে এবং জনস্বার্থের বিষয়গুলো অগ্রাধিকার পায়।

এলাকার সচেতন মহল মনে করছে, অংশগ্রহণমূলক ব্যবস্থার মাধ্যমে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ মতামত দেওয়ার সুযোগ পাবেন। ফলে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া হবে আরও উন্মুক্ত ও গ্রহণযোগ্য। এতে পরিষদের প্রতি মানুষের আস্থা বাড়বে।

পার্বত্য অঞ্চলের বহুজাতিক ও বহুসাংস্কৃতিক বাস্তবতায় সবার সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করাও গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনের মাধ্যমে নেতৃত্ব নির্ধারণ হলে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিত্ব আরও সুসংহত হবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে স্থানীয়দের।

সর্বস্তরের মানুষের দাবি, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নিয়ে পার্বত্য জেলা পরিষদগুলোকে আরও জনবান্ধব ও কার্যকর প্রতিষ্ঠানে রূপান্তর করা হোক। জনগণের সরাসরি ভোটই পারে নেতৃত্বে নতুন গতি আনতে এবং আস্থার ভিত্তি আরও শক্ত করতে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category