মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ০৩:৫৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ত্রয়োদশ সংসদে সংরক্ষিত আসনে হেলেন জেরিন খান এমপি, উচ্ছ্বসিত মাদারীপুর মোহনগঞ্জে সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতা, নীরব প্রশাসন—মৃত্যুঝুঁকিতে মানুষ আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (রহঃ) মাজার জিয়ারতে দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দের সংক্ষিপ্ত সফর খুলনার শিয়ালীতে সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে সংঘবদ্ধ ডাকাতির তাণ্ডব: ৬ স্বর্ণের দোকান লুট ভোররাতে হাউসদী বাজারে হানা, প্রত্যক্ষদর্শীকে বেঁধে নির্যাতন রাজৈরে পুলিশের জালে ইয়াবা কারবারি, উদ্ধার ১৬৫ পিস দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাচনে আব্দুল বাছিত খানকে আল ইসলাহর পূর্ণ সমর্থন রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৈশাখের বর্ণাঢ্য উৎসব—পান্তা-ইলিশ, নাচ-গানে মুখর ক্যাম্পাস

সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না -হাবীব আজম

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৮ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ১৬৫ Time View

 

আহমদ বিলাল খান

রাঙামাটিতে পাহাড়ি ও বাঙালি জনগোষ্ঠীর মিলিত উদ্যোগ সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় রাখার একটি অনন্য উদাহরণ হয়ে উঠেছে। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) কল্যাণপুরে শতাধিক দুঃস্থ, অসহায় ও গরিব মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করা হয়। অনুষ্ঠানটি শুধুমাত্র শীতার্তদের তাপ দান করেনি, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সকল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ভ্রাতৃত্ব ও সহমর্মিতা আরও শক্তিশালী করেছে।

প্রধান অতিথি রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য মো. হাবীব আজম বলেন, শীত মৌসুমে গরিব ও অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়ানো শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, এটি পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মধ্যে সম্প্রীতি ও সামাজিক বন্ধন দৃঢ় রাখারও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। পাহাড়ি ও বাঙালি সকল জনগোষ্ঠীকে নিয়ে সম্প্রীতির রাঙামাটি গড়ে তোলা আমাদের লক্ষ্য। সম্প্রীতি ছাড়া কোনো জাতি উন্নতি করতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, যখন মানুষ একে অপরের পাশে থাকে, তারা ব্যক্তিগত ও সামাজিক জীবনে আরো সক্রিয় ও কর্মক্ষম থাকে, এবং এতে স্থানীয় অর্থনীতি ও ব্যবসাও সচল থাকে।

বিশেষ অতিথি রাঙামাটি প্রেস ক্লাবের সভাপতি আনোয়ার আল হক যোগ করেন, মানবিক উদ্যোগ এবং পার্বত্য অঞ্চলের জনগোষ্ঠীর মিলিত প্রচেষ্টা স্থানীয় ব্যবসা, কৃষি ও উৎপাদনশীলতাকে সহায়তা করে। এতে সমাজে বিশ্বাস ও বন্ধন দৃঢ় হয়।

সভাপতি সুশীল জীবন চাকমা বলেন, এই ধরনের উদ্যোগ শুধু মানুষের জীবনযাত্রা উন্নত করে না, বরং পার্বত্য অঞ্চলের সামাজিক বন্ধন ও সম্প্রীতিও আরও দৃঢ় করে।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত শতাধিক শীতার্ত পরিবার শীতবস্ত্র পেয়ে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। আয়োজকরা জানান, এই ধরনের মানবিক উদ্যোগ মানুষকে কর্মক্ষম রাখে, সামাজিক বন্ধন বজায় রাখে এবং পার্বত্য অঞ্চলের অর্থনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতাকে সহায়তা করে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category