সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:০০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মোহনগঞ্জে সড়ক নির্মাণে দীর্ঘসূত্রিতা, নীরব প্রশাসন—মৃত্যুঝুঁকিতে মানুষ আল্লামা ফুলতলী ছাহেব ক্বিবলাহ (রহঃ) মাজার জিয়ারতে দোয়ারাবাজারের নেতৃবৃন্দের সংক্ষিপ্ত সফর খুলনার শিয়ালীতে সনাতন ধর্ম সুরক্ষা পরিষদের বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত মাদারীপুরে সংঘবদ্ধ ডাকাতির তাণ্ডব: ৬ স্বর্ণের দোকান লুট ভোররাতে হাউসদী বাজারে হানা, প্রত্যক্ষদর্শীকে বেঁধে নির্যাতন রাজৈরে পুলিশের জালে ইয়াবা কারবারি, উদ্ধার ১৬৫ পিস দোয়ারাবাজার উপজেলা নির্বাচনে আব্দুল বাছিত খানকে আল ইসলাহর পূর্ণ সমর্থন রাঙামাটিতে ৩৪তম নববর্ষ উদযাপন: শোভাযাত্রা ও পান্তা উৎসবে মুখর শহরবাসী শহীদ সরদার সাজাহান গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজে বৈশাখের বর্ণাঢ্য উৎসব—পান্তা-ইলিশ, নাচ-গানে মুখর ক্যাম্পাস বাংলা নববর্ষ উপলক্ষে মাদারীপুরে গীতাপাঠ প্রতিযোগিতা ও বর্ষবরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত

মাদারীপুর রাজৈরের কুমার নদী জৌলুস ও যৌবন দুটোই হারিয়ে মৃত প্রায়

মেহেদি হাসান সোহেল
  • Update Time : রবিবার, ৩০ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৭৩ Time View

মেহেদি হাসান সোহেল:

রাজৈরের পাশ দিয়ে বয়ে চলা কুমার নদীর জৌলুস, যৌবন, দাম্ভিকতা কোনটাই অবশিষ্ট নেই, সব কিছুই আজ হারিয়ে ফেলেছে। কালের পরিক্রমায় কুমার নদী আজ মৃত প্রায়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন যাবত রাজৈর বাজার সহ দুই পাড়ের মানুষের ময়লা আবর্জনা ফেলা ও কচুরিপানা পরিষ্কার না করা এর অন্যতম কারণ হতে পারে।

একদিন এই নদীর নাম-ডাক ছিল যৌবনের উচ্ছাস, উদ্দিপনা ছিল, হুংকার আর গর্জনে হৃদপিন্ডে কাপনের সৃষ্টি হত পার্শ্ব বর্তী দু-চার এলাকার লোকজনের। অথচ সেই নদী আজ মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লরছে প্রতিনিয়ত।

ষাটের দশকে এই কুমার নদীর বুক চিরে বয়ে যেত বড়, বড় ষ্টীমার, লঞ্চ,চরমুগুরিয়া থেকে খুলনা অবদি। বড়, বড় ঘাসী নৌকা পাল তুলে ছুটে যেত ভাটিয়ালী গানের সুরের তালে,তালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে। অত্র অঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের দুর- দুরন্তে যাতায়াতের এক মাত্র অবলম্বন ছিল এই কুমার নদী। ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস সেই নদী আজ মুখ থুবরে পরে আছে জীবন্ত লাশ হয়ে।

এই নদীর হিংস্র শ্রোতে ডুবে গেছে অজশ্র ছোট বড় নৌকা, কেড়ে নিয়েছে শত সহশ্র মায়ের নারী ছেড়া ধন, অনেক ধনীকে বানিয়েছে ফকির, আবার ফকিরকে বানিয়েছে ধনী।

বর্ষা মৌসুম শুরু হলেই নদী দুই পাড়ের বাসিন্দারা থেকতো আতংকে এই বুঝি তাদের শেষ সম্বল ভিটা বাড়ি টুকু কেড়ে নিয়ে যাবে নদী গর্ভে।

সেই নদী দিয়ে আজ লঞ্চ,ইষ্টীমার চলা তো দুরের কথা মানুষের গোসল করার মত পানিও থাকে না। এই নদী নিয়ে অনেক লেখা লেখি হয়েছে পত্র পত্রিকায় কিন্ত কোন কিছুতেই প্রশাসনের টনক নড়ছে না। নদীর রাজৈরের অংশ কচুরিপানায় অবরুদ্ধ হয়ে আছে দীর্ঘদিন যাবৎ। ময়লা আবর্জনা ফেলার একমাত্র ডাস্টবিন ই মনে হচ্ছে এই নদী।

নদীটি আগের মত সচল থাকলে নদী দুই পাড়ের কৃষকদের সেচ ব্যবস্থায় অনেক সাশ্রয়ী হত। নদীর পানি ব্যবহারে জমিতে  বেড়ে যেত বহুগুণ  উর্বরতা শক্তি, ফসল আসতো দ্বিগুন। তাই নদী দুই পারের হাজারো মানুষের প্রানের দাবী নদী সংশ্লিষ্ট কর্তা ব্যক্তিদের চোখের কালো চশমা খুলে অতী দ্রুত কুমার নদীটি সংস্করণের ব্যবস্থা করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category