মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজশাহীতে ডিবি পুলিশের অভিযানে ৭ হাজার ৩৭৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার, গ্রেপ্তার ১ পঞ্চগড়ে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন স্বচ্ছতা ও দক্ষতায় মাদ্রাসা পরিচালনায় অঙ্গীকারবদ্ধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান লোহাগাড়ায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ কুড়িগ্রাম সদরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও বিএনপি নেতারা পঞ্চগড়ে ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি: মনিটরিং কমিটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ নাশকতার আশঙ্কা নেই, তবে গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা’— পঞ্চগড়ে এসআরবি কমান্ডার আসন্ন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেব জনগণের সমর্থন পেয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র জনাব সবুজ বাঘা ঘোগাদহের উন্নয়নে আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মাদ্রাসার ভবন নির্মাণে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ লোহাগাড়ায় দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের উপহার ও আর্থিক অনুদান বিতরণ

দোয়ারাবাজারে ব্যবসায়ীর ৯৭ লক্ষ টাকার গরু-মহিষ লুটের অভিযোগ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৫২ Time View

দোয়ারাবাজার (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি:

সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলায় এক সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে প্রায় ৯৭ লাখ টাকা মূল্যের ৯৩টি গরু ও মহিষ জোরপূর্বক লুট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পরও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন ভুক্তভোগী পরিবার। ঘটনাটি ঘটে গত ১৫ ডিসেম্বর বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলার নরসিংপুর ইউনিয়নের শ্রীপুর গ্রামে। পরদিন (১৬ নভেম্বর) ভুক্তভোগী ওই গ্রামের মৃত মমশর আলীর ছেলে মো. মদরিছ আলী দোয়ারাবাজার থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

 

 

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মদরিছ আলী ও তাঁর পাঁচ ভাই দীর্ঘদিন ধরে গরু-মহিষ লালন পালন ও কৃষিকাজের মাধ্যমে জীবিকা নির্বাহ করে আসছেন। ঘটনার দিন বিকেলে গ্রামের পশ্চিম মাঠে ঘাস খাওয়ানোর পর গরু-মহিষগুলো বাড়িতে ফিরিয়ে আনার সময় আগে থেকেই ওৎ পেতে থাকা একদল সশস্ত্র ব্যক্তি তাদের পথরোধ করে। অভিযোগে বলা হয়, অভিযুক্তরা রামদা, দা, সুলফি ও লাঠিসোটা নিয়ে হামলা চালিয়ে প্রাণে হত্যার হুমকি দিয়ে ৯৩টি গরু ও মহিষ জোরপূর্বক ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয়রা এগিয়ে এসে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলেও অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে সবাইকে সরিয়ে দেওয়া হয়। লুট হওয়া পশুগুলোর আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৯৭ লাখ টাকা।

ভুক্তভোগীর দাবি, বর্তমানে এসব গরু ও মহিষ সংঘবদ্ধ চক্রটির একটি গোপন আস্তানায় রাখা হয়েছে।

অভিযোগে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন শ্রীপুর গ্রামের আবদুল কাইয়ুম (বাদশা)’র ছেলে নান্নু মিয়া (২৪), মৃত সুরুজ আলীর ছেলে আবদুল কাইয়ুম (৫৫), মমিন মিয়া (৫০); সানিয়া গ্রামের আবদুল হকের ছেলে জামাল হোসেন (২৪), জাবেদ আহমদ (২২), জাকির হোসেন (২০); শ্রীপুর গ্রামের মৃত আফতাব আলীর ছেলে ফারুক মিয়া (৫৫), পারুল মিয়া (৫০)সহ অজ্ঞাতনামা আরও ৪০–৫০ জন।

অভিযোগে তাদের সবাইকে একটি সংঘবদ্ধ লুটতরাজ চক্রের সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

অভিযোগকারী মদরিছ আলী বলেন, “থানায় অভিযোগ দেওয়ার পরও এখন পর্যন্ত কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি নেই। উল্টো অভিযুক্ত চক্রের পক্ষ থেকে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। আমরা চরম আতঙ্ক ও নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে রয়েছি।”

অভিযুক্ত আব্দুল কাইয়ুম বলেন, “এধরণের অভিযোগের বিষয়ে আমি কিছুই জানিনা। তবে আমাদের উপর যে অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”

তিনি আরো বলেন, “কয়েকদিন আগে বর্ডারে আমার শ্যালক মার্ডার হয়েছে। তাঁর পোস্টমর্টেম হওয়ার পর আমরা গতকালকে (২০ ডিসেম্বর) দোয়ারাবাজার থানায় আমরা একটি মার্ডার মামলা দায়ের করেছি। ওই মামলার আসামী মদরিস আলী আমাদের ওপর অহেতুক লুটপাটের অভিযোগ করেছেন।”

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা ও দোয়ারাবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আমির হোসেন বলেন, “আমি অভিযোগ পেয়ে এলাকায় গিয়েছিলাম। গরু-মহিষ কিংবা সংশ্লিষ্ট কাউকে পাইনি। আমি এখন ছুটিতে আছি। এটা এখনো তদন্তাধীন।”

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category