বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ০৭:৩৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আজ পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ, সন্ধ্যায় আকাশে লাল আভায় রাঙা চাঁদ রাঙামাটিতে ভিবিডি’র নবকমিটি: সেনা ও জেলা পরিষদ সদস্যের সঙ্গে মানবসেবা সম্প্রসারণে মতবিনিময় পার্বত্য চট্টগ্রামে ১২৬ বছরের শাসনবিধি বাতিলসহ ৭ দফা দাবিতে পিসিএনপি’র স্মারকলিপি প্রদান রাজৈরে সাংবাদিক মিলনমেলা ও ইফতার: স্বচ্ছতা, নৈতিকতা ও পেশাগত ঐক্যের উদযাপন পার্বত্য চট্টগ্রামের উন্নয়নে বৈষম্য নয়, সমান সুযোগের বার্তা দিলেন পার্বত্য মন্ত্রী সিলেটের উন্নয়ন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে —মন্ত্রী আরিফুল হক ঈদের আগেই আমরা ফ্যামেলী কার্ড পাবো: রাজৈরে মতবিনিময় সভায় জাহান্দার আলী মিয়া এমপি রাজৈর বাজারে ঝটিকা অভিযান এমপি জাহান্দার আলী মিয়ার উপস্থিতিতে ৪ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা রাঙ্গামাটিতে টিসিবির ট্রাক সেলে স্বস্তির চিত্র প্রতিমন্ত্রী নিয়োগ বৈধ, অপপ্রচার রুখতে পিসিসিপির তীব্র প্রতিবাদ

বিস্ময়কর ঘটনা: নিঝুমদ্বীপের পুকুরে ইলিশ মাছ

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ৮১ Time View

হাতিয়া (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ায় একটি পুকুরে আধা কেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে। গত সোমবার (২৬ জানুয়ারি) সকালে নিঝুমদ্বীপ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের উপরের বাজার এলাকার আগমনী কিল্লা গুচ্ছ গ্রামের একটি পুকুরে জাল ফেললে অন্যান্য মাছের সঙ্গে ইলিশটি ধরা পড়ে।
জানা গেছে, আগমনী কিল্লা গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটি প্রায় ৪০টি পরিবার ব্যবহার করে। পুকুরটি লিজ নিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দা আবদুল মান্নান। সকালে পুকুরে জাল ফেলার সময় অন্যান্য মাছের পাশাপাশি প্রায় আধা কেজি ওজনের একটি রুপালি ইলিশ ধরা পড়ে। এর আগেও এ পুকুরে একাধিকবার ইলিশ মাছ পাওয়া গেছে।
স্থানীয় বাসিন্দা মইনুল হাসান জানান, ২০২২ সালে প্রথম ধাপে ৩৫টি ইলিশ মাছ পাওয়া গিয়েছিল। পরবর্তীতে আবারও ইলিশ ধরা পড়ে। ২০২৪ সালে প্রথম ধাপে প্রায় ১০ কেজি ইলিশ পাওয়া যায়। তিনি বলেন, আজ একটি ইলিশ পাওয়া গেলেও সেচ দেওয়া হলে এখানে আরও ইলিশ পাওয়া যেতে পারে।
পুকুরের লিজগ্রহীতা আবদুল মান্নান বলেন, প্রতিবছর জাল ফেলা বা সেচ দেওয়ার সময় এ পুকুরে ইলিশ পাওয়া যায়। আজও জেলেদের দিয়ে জাল ফেলা হলে অন্যান্য মাছের সঙ্গে একটি ইলিশ ধরা পড়ে।
হাতিয়া উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আলাউদ্দিন বলেন, প্রতিবছর ঘূর্ণিঝড় কিংবা জলোচ্ছ্বাসের সময় নিঝুমদ্বীপের অধিকাংশ পুকুর প্লাবিত হয়। আগমনী কিল্লা গুচ্ছ গ্রামের পুকুরটিও প্লাবিত হয়েছিল। জোয়ারের পানির সঙ্গে ইলিশ পুকুরে প্রবেশ করে এবং পানি বের হওয়ার সুযোগ না থাকায় মাছগুলো সেখানে টিকে যায়।
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশিদ বলেন, পুকুরে স্বাভাবিকভাবে ইলিশ চাষ হয় না। মূলত জোয়ারের পানির সঙ্গে ইলিশ পুকুরে প্রবেশ করে। নিঝুমদ্বীপ একটি নিম্নাঞ্চল হওয়ায় জোয়ারে প্লাবিত হয় এবং সেই সময় ইলিশ পুকুরে ঢুকে পড়ে। এ ছাড়া এর পেছনে আলাদা কোনো কারণ নেই।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category