শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৮:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোহনগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি। নির্মাণ শেষ না হতেই রাস্তায় ধস। অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুনের আহ্বান শিরোনাম: রাঙ্গামাটিতে মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদিয়ার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, উপকৃত ২ শতাধিক মানুষ মানুষরূপী জানোয়ারদের শহরে আর কত রামিসা মরবে? এই সমাজ আজ পচে গেছে। ভয়ংকরভাবে পচে গেছে। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে রাজৈর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন শিক্ষাঙ্গনে ব্যতিক্রমী আয়োজন, একসাথে কাঁচা আম মেখে আনন্দে মাতলো দুই হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী মাদারীপুরে বইছে আনন্দের জোয়ার: নারী হুইপ হিসেবে আলোচনায় হেলেন জেরিন খান মাদারীপুরে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার গ্রেফতার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে যুবক সংকটাপন্ন, নেওয়া হলো ঢামেকে

ভোটের ভিড়ে ভাড়া কারসাজি: রাজৈরে তিন পরিবহনকে জরিমানা, স্বস্তি ফিরছে যাত্রীদের মধ্যে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৫৯ Time View

বাতেনুজ্জামান জুয়েল :

রাজৈর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট–২০২৬ উপলক্ষে বাড়ি ফেরা ও কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের অতিরিক্ত চাপের সুযোগ নিয়ে ভাড়া নৈরাজ্যের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের ভিত্তিতে রাজৈর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালিয়ে তিনটি পরিবহন সংস্থার এজেন্টকে মোট ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে।
সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পরিচালিত অভিযানে মাদারীপুর–ঢাকা রুটে চলাচলকারী চন্দ্রা পরিবহন, সার্বিক পরিবহন ও সোনালী পরিবহনের কাউন্টারে দায়িত্বরত এজেন্টদের প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন রাজৈর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাহিদ নেওয়াজ শিশির। অভিযানে রাজৈর থানার পুলিশের একটি দল অংশ নেয়।
আদালত সূত্রে জানা যায়, নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে বেশি অর্থ আদায়ের প্রমাণ পাওয়ায় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইনে এ জরিমানা আরোপ করা হয়। অভিযোগ ছিল, নির্বাচনের আগে ও পরে যাত্রীচাপ বেড়ে যাওয়ায় কিছু পরিবহন নির্ধারিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত টাকা আদায় করছিল।
অভিযান শেষে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বলেন, “ভোটকে কেন্দ্র করে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কোনো ধরনের প্রতারণা বা হয়রানি বরদাশত করা হবে না। অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের বিরুদ্ধে আমাদের নিয়মিত অভিযান চলবে। আইন অমান্য করলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
অভিযানের পর বাসস্ট্যান্ড এলাকায় যাত্রীদের মধ্যে স্বস্তি দেখা যায়। কয়েকজন যাত্রী জানান, গত কয়েকদিন ধরে তাদের কাছ থেকে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়া হচ্ছিল। এক যাত্রী বলেন, “নির্বাচনের সময় বাড়ি যেতে গিয়েই বেশি ভাড়া দিতে হয়েছে। আজ প্রশাসন ব্যবস্থা নেওয়ায় আমরা স্বস্তি পেয়েছি।” আরেক যাত্রী জানান, “এভাবে নিয়মিত অভিযান হলে কেউ আর বাড়তি ভাড়া নেওয়ার সাহস পাবে না।”
স্থানীয়রা মনে করছেন, প্রশাসনের এমন তৎপরতা অব্যাহত থাকলে নির্বাচনী সময়কে কেন্দ্র করে ভাড়া নৈরাজ্য অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং সাধারণ মানুষ ভোগান্তি থেকে রেহাই পাবে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category