মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পঞ্চগড়ে নতুন উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে মাসব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন স্বচ্ছতা ও দক্ষতায় মাদ্রাসা পরিচালনায় অঙ্গীকারবদ্ধ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মোখলেসুর রহমান লোহাগাড়ায় বিভিন্ন পূজামন্ডপ পরিদর্শনে ওসি মোহাম্মদ আবদুল্লাহ কুড়িগ্রাম সদরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে জেলা প্রশাসক ও বিএনপি নেতারা পঞ্চগড়ে ডিলার নিয়োগে স্বজনপ্রীতি: মনিটরিং কমিটির ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ নাশকতার আশঙ্কা নেই, তবে গুজব ছড়ালে আইনি ব্যবস্থা’— পঞ্চগড়ে এসআরবি কমান্ডার আসন্ন শিরখাড়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেব জনগণের সমর্থন পেয়ে শীর্ষে আছেন সাবেক চেয়ারম্যান পুত্র জনাব সবুজ বাঘা ঘোগাদহের উন্নয়নে আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান আব্দুল মালেক, মাদ্রাসার ভবন নির্মাণে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ লোহাগাড়ায় দুর্গাপূজায় প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের উপহার ও আর্থিক অনুদান বিতরণ আওয়ামী লীগের দুর্নীতিতেই জ্বালানি সংকট: পঞ্চগড়ে স্বেচ্ছাসেবক দলের লিফলেট বিতরণ

অপ্রাপ্তির শিয়রে

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৬
  • ১১৫ Time View

বাতেনুজ্জামান জুয়েল

তুমি আমাকে চাও না—
এই অনিবার্য সত্য বহুদিন আগেই স্থির হয়েছে
তোমার দৃষ্টির নির্লিপ্ত প্রান্তে।
তোমার নীরবতা, তোমার অনাগ্রহ—
আমার জন্য নিঃসন্দেহ এক প্রত্যাখ্যানের ভাষ্য।
তবু, কী এক অদ্ভুত নিয়তিতে,
আমি বারবার তোমাকেই চেয়েছি—
অপ্রকাশ্য, অব্যক্ত, অপ্রাপ্তির অসুখ নিয়ে।
কখনো ইচ্ছাকৃত ক্লান্তিতে শরীর ভেঙেছি,
কখনো নিশীথে ডেকেছি জ্বর—
যেন কাঁপতে থাকা দেহের অজুহাতে
তুমি এসে দাঁড়াও আমার শিয়রে।
কারণ আমি জানি—
তুমি অসুস্থ মানুষ দেখতে যাও,
তাদের কপালে হাত রাখো,
তাদের নিঃশ্বাসে খোঁজ নাও জীবনের স্পন্দন।
সেই স্পর্শের সামান্য অংশীদার হওয়ার জন্যই
আমি অসুখকে আহ্বান করেছি বারংবার।
কিন্তু কী নির্মম পরিহাস—
অসুখ এলো না, জ্বরও স্পর্শ করল না আমাকে।
শুধু ভেতরে ভেতরে
একটি দীর্ঘশ্বাস জমে উঠলো—
অদৃশ্য, অথচ গভীরতর এক ক্ষয়ে।
তুমি এলে না।
আমি অসুস্থও হলাম না—
তবু এক অনির্বচনীয় অবসাদে
আমার ভেতরের মানুষটি নিঃশেষ হতে থাকলো।
অতএব, এখন আমি মৃত্যুকেই আহ্বান করি—
নিঃশব্দ, নির্লিপ্ত, গাঢ় অন্ধকারের ভেতর থেকে।
কারণ আমি জানি—
তুমি মৃত মানুষ দেখতে যাও।
হয়তো তখন,
আমার শীতল, নিশ্চল দেহের পাশে
এক মুহূর্তের জন্য দাঁড়াবে তুমি।
তোমার দৃষ্টির সেই একটুখানি অবকাশ—
যা জীবনে কোনোদিন আমার জন্য বরাদ্দ ছিল না—
মৃত্যুর পরে এসে থামবে আমার ওপর।
সেই একবারের দেখাই হবে আমার পরম প্রাপ্তি—
শেষ দেখা, শেষ অনুভব, শেষ অধিকারহীন ভালোবাসা।
জীবনের সমস্ত প্রার্থনা যখন প্রত্যাখ্যাত,
তখন মৃত্যুই হয়ে ওঠে একমাত্র সম্ভাব্য সংযোগ—
একটি দৃষ্টি পাওয়ার ক্ষীণ আশায়
আমি নিজেকে সমর্পণ করেছি অন্তিম অন্ধকারে।
হয়তো তখন—
আমি আর থাকবো না,
তবু তোমাকে দেখবো—
নিষ্প্রাণ চোখের অন্তিম স্থিরতায়।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category