শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোহনগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি। নির্মাণ শেষ না হতেই রাস্তায় ধস। অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুনের আহ্বান শিরোনাম: রাঙ্গামাটিতে মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদিয়ার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, উপকৃত ২ শতাধিক মানুষ মানুষরূপী জানোয়ারদের শহরে আর কত রামিসা মরবে? এই সমাজ আজ পচে গেছে। ভয়ংকরভাবে পচে গেছে। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে রাজৈর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন শিক্ষাঙ্গনে ব্যতিক্রমী আয়োজন, একসাথে কাঁচা আম মেখে আনন্দে মাতলো দুই হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী মাদারীপুরে বইছে আনন্দের জোয়ার: নারী হুইপ হিসেবে আলোচনায় হেলেন জেরিন খান মাদারীপুরে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার গ্রেফতার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে যুবক সংকটাপন্ন, নেওয়া হলো ঢামেকে

কঙ্কাল হাতে ব্যাংকের দরজায়—ওডিশায় লজ্জার আয়না, মানবিকতার চূড়ান্ত পরাজয়

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮৯ Time View

দেশবাংলা ডেস্ক:

ভারতের Odisha রাজ্যে এক হৃদয়বিদারক, শিউরে ওঠার মতো ঘটনা জাতিকে নাড়া দিয়েছে। কাগজের নিয়মের কাছে মানুষ হার মানলে দৃশ্যটা এমনই ভয়ংকর হয়ে ওঠে—যেখানে জীবনের চেয়েও বড় হয়ে দাঁড়ায় একটি স্বাক্ষর, একটি উপস্থিতি, একটি শর্ত।
স্থানীয় সূত্র জানায়, এক অসহায় আদিবাসী ব্যক্তি তার মৃত বোনের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট থেকে মাত্র ২০ হাজার রুপি তুলতে গিয়ে পড়ে যান নিষ্ঠুর এক ব্যবস্থার ফাঁদে। ব্যাংক কর্তৃপক্ষ জানিয়ে দেয়—অ্যাকাউন্টধারী নিজে উপস্থিত না হলে অর্থ প্রদান অসম্ভব। মৃত্যু এখানে কোনো যুক্তি নয়, বাস্তবতা নয়, কেবল একটি ‘অপ্রমাণিত’ তথ্য!
এরপর যা ঘটেছে, তা সভ্যতার মুখে এক চপেটাঘাত। অভিযোগ রয়েছে, ওই ব্যক্তি নিজের বোনের কবর খুঁড়ে কঙ্কাল তুলে নিয়ে আসেন ব্যাংকের দরজায়—প্রমাণ হিসেবে। যেন বলতে চান, “এই দেখুন, মানুষটা আর বেঁচে নেই।” এক ভাইয়ের এই আর্তনাদ কি শুধু তার ব্যক্তিগত বেদনা, নাকি পুরো ব্যবস্থার নির্মম ব্যর্থতার প্রতিচ্ছবি?
ঘটনাটি সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়তেই ক্ষোভে ফেটে পড়েছে মানুষ। কেউ বলছেন—এটি কেবল একটি ঘটনা নয়, এটি রাষ্ট্র ও প্রতিষ্ঠানের হৃদয়হীনতার নগ্ন প্রকাশ। আবার অনেকে প্রশ্ন তুলেছেন—নিয়ম কি মানুষের জন্য, নাকি মানুষই নিয়মের দাস?
এখনো পর্যন্ত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কোনো সুস্পষ্ট প্রতিক্রিয়া মেলেনি। কিন্তু প্রশ্ন রয়ে গেছে—একটি সমাজ কতটা নিষ্ঠুর হলে একজন মানুষকে তার প্রিয়জনের কবর ভেঙে কঙ্কাল হাতে পথে নামতে হয়?
ওডিশার এই ঘটনা শুধু একটি সংবাদ নয়, এটি এক নিঃশব্দ চিৎকার—যা আমাদের বিবেককে ঝাঁকুনি দিয়ে বলে, আমরা কি সত্যিই মানুষ আছি, নাকি শুধু নিয়মের যন্ত্র হয়ে গেছি?

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category