শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬, ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মোহনগঞ্জে কাবিটা প্রকল্পের কাজে অনিয়ম ও দুর্নীতি। নির্মাণ শেষ না হতেই রাস্তায় ধস। অপরাধমুক্ত সমাজ গড়ে তুলতে মোহনগঞ্জ থানার ওসি হাফিজুল ইসলাম হারুনের আহ্বান শিরোনাম: রাঙ্গামাটিতে মাইজভাণ্ডারী শাহ এমদাদিয়ার ফ্রি চিকিৎসা ক্যাম্প, উপকৃত ২ শতাধিক মানুষ মানুষরূপী জানোয়ারদের শহরে আর কত রামিসা মরবে? এই সমাজ আজ পচে গেছে। ভয়ংকরভাবে পচে গেছে। বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে রাজৈর উপজেলা আহ্বায়ক কমিটি গঠন শিক্ষাঙ্গনে ব্যতিক্রমী আয়োজন, একসাথে কাঁচা আম মেখে আনন্দে মাতলো দুই হাজার শিক্ষার্থী ও শিক্ষক-কর্মচারী মাদারীপুরে বইছে আনন্দের জোয়ার: নারী হুইপ হিসেবে আলোচনায় হেলেন জেরিন খান মাদারীপুরে একই পরিবারের ৩ জনের মরদেহ উদ্ধার গ্রেফতার এড়াতে ১৯ পিস ইয়াবা গিলে যুবক সংকটাপন্ন, নেওয়া হলো ঢামেকে

কুড়িগ্রামে বিদ্যালয়ের গাছ ও ভবন অপসারণে বিতর্ক, তদন্তের দাবি ও প্রশাসনের দায়িত্বহীন মন্তব্যে প্রশ্ন

Reporter Name
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৮২ Time View

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার হলখানা ইউনিয়নের তাপেশ্বর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গাছ কাটা ও পুরাতন ভবন অপসারণকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক আলোচনা ও ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, কোনো প্রকাশ্য নিলাম বা বিধিসম্মত প্রক্রিয়া ছাড়াই বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের একাধিক গাছ এবং একটি পুরাতন ভবন অপসারণ করা হয়েছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্যালয় চত্বরে থাকা অন্তত সাতটি গাছ সম্প্রতি কেটে ফেলা হয়। এলাকাবাসীর অভিযোগ, সরকারি সম্পদ ব্যবস্থাপনার প্রচলিত বিধি অনুসরণ না করেই এ ধরনের কাজ করা হয়েছে, যা স্বচ্ছতার ঘাটতি নির্দেশ করে। একই সঙ্গে প্রায় ৫০ হাত দীর্ঘ একটি পুরাতন ভবনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া ছাড়াই অপসারণ করা হয়েছে বলে দাবি করেন তারা।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আব্দুল কাদের। তিনি বলেন, “গাছগুলো বাইরে থেকে কেউ কেটে নিয়ে যায়নি। এগুলো বিদ্যালয়ের বাউন্ডারির ভেতরেই ছিল। তবে গাছগুলো স্কুলের সম্পত্তি নয়।” ভবন অপসারণ প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, “টেন্ডার ছাড়া বিক্রি হয়ে থাকলে এতে আমার কী করার আছে।”
এদিকে বিষয়টি নিয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ডিপিও) সপন বলেন, “আমাদের কিছু করার নেই।” একই ধরনের মন্তব্য করেছেন কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সাজু। তিনি বলেন, “আমার কিছু করার নেই।”
কর্তৃপক্ষের এমন বক্তব্য এবং প্রধান শিক্ষকের অবস্থানকে কেন্দ্র করে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। তাদের মতে, বিদ্যালয় প্রাঙ্গণের ভেতরের যেকোনো সম্পদ ব্যবস্থাপনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সুস্পষ্ট দায়িত্ব ও নজরদারি থাকা উচিত ছিল।
এ বিষয়ে অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাৎক্ষণিকভাবে কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। তাদের মতে, সরকারি সম্পদের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
(চলমান অনুসন্ধান…)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category